আন্তর্জাতিক বিনোদন

গোয়েন্দা গল্প।

গোয়েন্দা গল্প

 

দাঁত মাজা, শুনে শুডুবুড়া বাসন মাজার সাবান স্পঞ্জ দিয়ে সঁাত মাজতে গেল । সেই গুডুবুড়াই ঠিকমতাে খেয়েদেয়ে খেলাধুলা করেহয়ে উঠল বুদ্ধিমান। স্কুলের প্রিন্সিপালের আংটি হারিয়ে গেল ।কে সেটা বের চার লেবে? কে অনার! শুভড়ড়া কিন্তু সত্যিকারের গােয়েন্দাশিরির পালা এল জুবুর সামনে। তাদের বিল্ডিংয়ে এক ভদ্রলােক, খান সাহেব খুন হয়ে। গেলেন। পুলিশের বড় কর্তা দায়িত্ব দিলেন শুভুড়ুক। মার্ডার কেসের। রহস্য উদঘাটন কুরতে হবে? পােয়েন্দা গুড় কি করে এই

কবিরাজি শিক্ষা।

সমস্যার সমাধান খুরতে? গুডুডুবুড়া আসলে কে? গুডুবুড়া কে? আমার বন্ধুরা বলে, তুমিই গুডুবুড়া। আমি বুড়া বটে, কিন্তু আমি গুডছােটবেলায় খাওয়া নিয়ে আমরা মা-খালাকে কষ্ট দিইনি। যা পেয়েছি, তা-ই খেয়েছি। যা পাইনি, তা-ও খাওয়ার চেষ্টা করেছি। ঘরের উঁচু তাকে লুকিয়ে রাখা আচার, জঙ্গলের গাছে পেকে থাকা পেয়ারা, পুরােনাে শিশি-বােতল কাগজের বিনিময়ে পাওয়া কটকটি। খেলাধুলা করতাম। প্রচুর। সঁতার কাটতাম, গাছের মগডালে উঠে বসে থাকতাম, গােল্লাছুট লুকোচুরি ফুটবল তাে খেলতামই। গােয়েন্দা গুডুবুড়া কিশাের আলােয় বেরিয়েছিল, তবে বই হিসেবে বের করার সময় একটু বাড়তি কথা যােগ

 

করেছি। বইটা সুন্দর হলাে রাকিব রাজ্জাকের ছবির জন্য । রাকিবকে ভালােবাসা। তােমাদের সব্বাইকে ভালােবাসা । গুডুবুড়ার নতুন নতুন বােকামির গল্প শুনলে হাসতে হাসতে তােমাদের পেট ফেটে যাবে।

 

https://usabcnews.com/%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%80/

 

গুডুবুড়ার দাদি বেড়াতে এসেছেন তাদের ঢাকার কলাবাগানের বাসায়। সকালবেলা তিনি বললেন, “গুডবুড়া, তুমি দাঁত মেজেছ? না, দাদি।যাও। দাঁত মেজে আসাে। শুডুবুড়া রান্নাঘরে গেল। বাসনকোসন মাজার লিকুইড সাবান আর স্পঞ্জ দিয়ে মাজতে লাগল দত। তা দেখে মা চিৎকার করে উঠলেন, গুড়ু, তুমি কী করছ? দাদি বলেছেন দাতমাজতে । তাই দাত মাজছি।কেন, তুমি সকালে ব্রাশ করােনি? করেছি।’ তাহলে?

 

দাদি যে বললেন দাত মাজতে। তাই দাঁত মাজছি। গুডুবুড়ার দাদি সকালে এক চামচ ওষুধ খান। এতে নাকি আদা, মধু, লেবুর রস আছে। খেলে গলা পরিষ্কার হয় বুকে কফ জমে না ঠান্ডা লাগে না।দাদি বললেন,‘খাবি? খা। এক চামচ খা।এক চামচ খেলে কী হবে?গলা পরিষ্কার হবে। বুকে কফ জমবে না। ঠান্ডা লাগবে।

 

নতুন কিছু জানুন – বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী

 

সর্দি-কাশি হবে না দাও এক চামচদাদি তাকে এক চামচ ওষুধ দিলেন। গুডুবুড়া ওষুধ ফেলে দিয়ে চামচ খেতে চেষ্টা করতে লাগল। সমস্যা হলাে, চামচ কীভাবে খেতে হয়, গুডুবুড়া জানে না। চামচ কি চিবিয়ে খেতে হয়, নাকি সেদ্ধ করে খেতে হয়, নাকি পানি দিয়ে খেতে হয়? চিবুতে গিয়ে গুডুবুড়ার একটা দাঁত গেলভেঙে। মা ছুটে এলেন। বাবা ছুটে এলেন। দাদি ছুটে এলেন। কী হলাে?

 

‘চামচ খেতে গিয়ে দাঁত ভেঙে ফেলেছি! ‘চামচ কেন খেতে হবে? দাদি বলেছেন, “খা এক চামচ। খেলে বুক পরিষ্কার হবে।” এই হলাে গুডুবুড়া। তােমরা ওকে চেনাে। ওর এই সব গল্প তােমাদের মুখস্থই হয়ে গেছে।

 

কিন্তু এই কাণ্ডটার কথা শুনলে তােমাদের হাসি আসবে না। কান্না পাবে।১)গুডুবুড়ার বাসায় এক আন্টি এসেছেন লন্ডন থেকে ।তিনি রান্না করবেন। তার রান্নার জন্য লাগবে চিলি পেস্ট। তিনি বলছেন, চিলি পেস্ট চাই। চিলি পেস্ট। গুডুবুড়া দূর থেকে দেখছে। বেশ লাল রঙের একটা পেস্ট। এটা দিয়ে দাঁত মাজা ট্রাই করা দরকার। তা-ই করল গুডুবুড়া। মরিচবাটা দিয়ে দাঁত মাজতে আরম্ভ করে দিল। তারপর ঘটনা যা ঘটল, সে-ও কি তােমাদের খুলে বলতে হবে? ঝালের চোটে গুডুবুড়া ঝাপাতে লাগল । লাফাতে লাগল। চিক্কার-চেঁচামেচি করে বাড়ির ছাদ ভেঙে ফেলার উপক্রম করল তো বটেই, তার নাচানাচি-ঝাপাঝাপিতে  রের মেঝেও ভেঙে যায় যায় অবস্থা 

 

 

সবাই দৌড়ে এল ।কী হয়েছে?‘আমি পেস্ট দিয়ে দাঁত মেজেছি।’তাতে কী হয়েছে? ঝাল। ঝাল । উরে বাবা রে, মা রে…মারা যাচ্ছি রে… ঝাল কেন?’ওই লাল পেষ্ট।’‘সর্বনাশ! ওটা তাে মরিচের পেস্ট । পেষা মরিচ…’স্কুলে মহা হইচই। প্রধান শিক্ষিকা গুলশান আপার হীরার আংটি চুরি হয়ে গেছে। সহকারী প্রধান শিক্ষিকা জোবায়দা চৌধুরী দুপুরের পর
ঢুকেছেন হেড মিস্ট্রেসের চেম্বারে। কথা হচ্ছে, পরীক্ষা শেষ
হলে কত তাড়াতাড়ি রেজাল্ট দিয়ে দেওয়া যায়। জোবায়দা বললেন, ‘আপা, আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে রেজাল্ট দেব।

 

আপা, আপনার কানের দুল দুইটা তাে সুন্দর । কোথা থেকে কিনেছিলেন?’‘এইটা। এটা দিয়েছিল আমার মেজ ভাবি। আমার হাতের আঙুলের আংটির সঙ্গে ম্যাচ করে পরলাম। আজ আমার শখের হীরার আংটি পরে এসেছি। কত দিনের টাকা জমিয়ে এটা কিনেছিলাম। হঠাৎ তিনি বাঁ হাতের আঙুলের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে উঠলেন, হায় আল্লাহ, আমার আংটি কই?

 

ডায়মন্ডের রিং।’তার ফরসা মুখ সেদ্ধ খােসাছাড়া আলুর মতাে ফ্যাকাশেহয়ে গেল। জোবায়দা আপা বললেন, ‘আপনি পরে এসেছিলেন, ঠিক মনে আছে তাে। আংটি পরলাম। তার সঙ্গে মিলিয়েই তাে দুল পরলাম। কোনাে ভুল নাই।’তাহলে আংটি কোথায় পড়ে গেল? আঙুল থেকে খসেপড়েছে? অনেক ঢিলা ছিল? না না । টাইট। এই দেখেন, আমার আঙুলে দাগ পড়ে গেছে।’ তাহলে কোথায় খুলে রাখলেন? ‘মনে পড়েছে। অজু করার সময় বেসিনে খুলে রেখেছি। হেড মিস্ট্রেস ছুটলেন তার চেম্বারের ভেতরেই পাশের ঘরে। সেখানে একটা বেসিন। অজু করার জায়গা তারও পর একটা বাথরুম।

তিনি বললেন, ‘অজু করার সময় খুলে রেখেছিলাম।বেসিনের ওপর। আমার মনে আছে।তিনি উঠলেন। পাশের বেসিনের ঘরে গেলেন। হায় খােদা! এখানেই তাে রেখেছিলাম। গেল কই?তিনি কাঁদতে শুরুকরলেন, “আমার এত শখের আংটি।আমার এত শখের ডায়মন্ড । আমার এত শখের ডায়মন্ড ।জোবায়দা মিস কী করবেন বুঝছেন না।

Related Posts

কক্সবাজার  ভ্রমণ ২০২১

  কক্সবাজার  ভ্রমণ   নভেম্বরের ২৩ তারিখে বন্ধুরা মিলে আড্ডা দেওয়ার সময় কথা উঠলো কক্সবাজারের – সেন্ট মার্টিন।তারিখ ও ঠিক করে ফেললাম ৫ ই ডিসেম্বর। কথা অনুযায়ী ট্রেনে…

সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখার সুযোগ সবার হয় না।

  সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখার সুযোগ সবার হয় না     নীলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ফাইনাল দিয়েছে।বরাবর সে বিগত পরীক্ষায় ভালাে ফলাফল অর্জন করেছে। পরীক্ষায়সে যে পাস…

সুন্দর চোখ সাজানো।

  সুন্দর চোখ সাজানো   যেন একটা ঘােরের ভেতরে পাখির দিনগুলাে কাটছে আজকাল। এমন একঘাের যে দিন কী রাত পাখির যেন খেয়াল নেই। আর খেয়াল রেখেই-বালাভ কী? দুদিন…

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত।

  কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত এসএসসি  পরীক্ষা  শেষ  হতে  না  হতেই  সৌম্য  যেন  নড়ে চড়েবসল। কোথা  ও   ঘুরতে  যেতে  হবে ।  কিন্তু  কীভাবে   বাবার  তােসময়  নেই, মাও যেতে  পারবে …

মোটরসাইকেল চালানো শেখা।

মোটরসাইকেল চালানো শেখা   এ সময়ে সাধারণত তীব্র শীত পড়ে। এবার আবহাওয়ার অবস্থা এলােমেলাে। শীতের কোনাে ভাব দেখা যাচ্ছে না। রাত গভীর হলেখানিক ঠান্ডা লাগে। তা ছাড়া কেবল…

বিরিয়ানি রেসিপি।

বিরিয়ানি রেসিপি   আগুনে ডুবিয়ে শরীর, বিবিয়ানা’র অন্তরে।বিবিয়ানা’ পুড়ে যাওয়া জীবনের গল্প। আস্ত জীবন নয়, জীবনেরকোনাে এক খণ্ড যেন। আচমকাই শুর আবার বােকা বানিয়ে ফুরিয়েযায়। জীবনের নাটাই অন্য…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *