খেলার খবর বাংলাদেশ শিক্ষা

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান

 

বাংলা ফন্ট সমস্যা

 

 

সমস্যা-১

কমপিউটারে বাংলা বিশেষ করে বিজয় বাংলা ব্যবহারে অনেক সময় অনেক জটিলতা দেখাদেয়। বিজয় বাংলা সঠিকভাবে ইন্সটল করা থাকলেও অনেক শব্দ টাইপ করলে অক্ষরপরিবর্তন হতে দেখা যায়। যেমন, আমাদের টাইপ করলে দের এর শেষের র না এসে ওআসে অর্থাৎ আমাদের এর পরিবর্তে আমাদেও আসে। ওয়ার্ডে ইংরেজিতে টাইপ করলেসাধারণ ভুল হলেও ওয়ার্ড নিজে থেকে অটোমেটিক ঠিক করে নেয়ার জন্য অটোকারেঅপশন রয়েছে। অটো কারেক্ট ফিচারটির বিভিন্ন অপশন নির্ধারণ করার ব্যবস্থা রয়েছে।

 

এসবঅপশন নির্ধারিত থাকার ফলেই দেখা যায় বিজয় বাংলাতে এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাইস সব বিষয় উঠিয়ে দিলে বিজয় বাংলার এ ধরনের সমস্যা থাকে না। Tools মেনুতে ক্লিক করে AutoCorrect options… এ ক্লিক করুন। পর্দায় নিচের অটো কারেক্ট ডায়ালগ বক্স আসবে। এখানে দেখুন বিভিন্ন অপশনের পাশে টিক চিহ্ন আছে অর্থাৎ এ অপশনসমূহ নির্ধারিতআছে। মাউস দিয়ে ক্লিক করে টিক চিহ্ন উঠিয়ে দিন।

 

নির্দিষ্ট কোন ফর্মেটের লেখার মতাে অন্যান্য লেখাকে একই।ফর্মেটে করা

সমস্যা-২

ওয়ার্ডে টাইপ করে কম্পােজ করার সময় প্রয়ােজনে নির্দিষ্ট কোন ধরনের লেখাকে বিভিন্ন ।ফর্মেটে পরিণত করা হয়। যেমন নিচের ডকুমেন্টটি লক্ষ্য করুন  উকুমেন্টটিতে চারটি টাইটেল আছে। টাইটেল চারটি সুতন্নী ফন্টের, সাইজ ১৮, ইটালিক এবংবােল্ড। আমরা এ টাইটেলটিকে সুন্নী এমজি ফন্টে ২০ পয়েন্টে বােল্ড করতে চাই। এক্ষেত্রেএকটি টাইটেল সিলেক্ট করে ফন্ট পরিবর্তন করা, ফন্টের সাইজ পরিবর্তন করা, ইটালিক বন্ধকরে শুধুমাত্র বােল্ড রেখে পরিবর্তন করতে হবে। এভাবে প্রত্যেকটি টাইটেল পরিবর্তন করতে

 

গেলে অনেক সময় প্রয়ােজন। যদি এ ধরনের অনেকগুলাে টাইটেলকে নির্দিষ্ট কোন ফরমেটেপরিবর্তন করতে চাইলে ফাইন্ড রিপ্লেস করে করা যায়। কিন্তু তাতে অনেকগুলাে কমান্ড পরপরহয় বলে তাতেও কিছু সময় লাগে। যা কয়েকটি টাইটেল একটি একটি পরিবর্তন করারমতােই সময়। এক্ষেত্রে পরিবর্তন করে টাইটেল বারের ফরমেট পেইন্টার টুলটিতে ডাবল ক্লিককরে বাকি তিনটি টাইটেল সিলেক্ট করলেই উক্ত ফর্মেটে হবে। প্রথম টাইটেলটি সিলেক্ট করে।প্রথম টাইটেলটি সিলেক্ট করে ফন্ট সুতন্নী ২, সাইজ ২০ এবং ইটালিক বন্ধ করুন।

 

মিরর প্রিন্ট

সমস্যা-৩

ওয়ার্ডে কম্পােজ করে লেজার প্রিন্টারে ট্রেসিং কাগজে প্রিন্ট করে পেস্টিং করে অথবা ফিলােআউটপুট নিয়ে প্লেট তৈরি করে অফসেট প্রিন্টারে প্রিন্ট করা হয়। সাধারণভাবে লেজারপ্রিন্টারে প্রিন্ট করলে কাগজের প্রথম পিঠে প্রিন্ট হয়। এভাবে প্রিন্ট করা ট্রেসিং পেপটি প্লেটেরবিপরীত দিকে থাকে বিধায় প্লেটে তুলনামূলকভাবে কালির গাঢ়ত্ব কম হয়। তাই প্রেসে এধরনের প্লেট দিয়ে প্রিন্ট করলে একটু হালকা হয়। তাই কোয়ালিটি প্রিন্ট করার জন্য অনেকেলেজার প্রিন্টারে মিরর প্রিন্ট করে থাকেন।

 

মিরর প্রিন্ট করলে কাগজের উল্টা দিকে অর্থাৎট্রেসিং পেপার প্লেটের যেদিকে থাকে সেদিকে প্রিন্ট হয়। তাই উচ্চ আলােতে প্লেট তৈরিরসময় প্লেটে লেখা তুলনামূলকভাবে বেশি গাঢ়ত্বের হয়। সেজন্য ছাপাও ভাল হয়। সব প্রিন্টারে| মিরর অপশন থাকে না। কোয়ালিটি প্রিন্টিং কাজের প্রয়ােজনে প্রিন্টার কিনলে তাতে মিরর।অপশন আছে কিনা দেখে নিতে হবে।

 

বাংলা টাইপের সময় শেষ অক্ষর স্ত হলে স্ত পরের লাইনে চলে যায়

সমস্যা-৪

ওয়ার্ডের ডকুমেন্টে লেখার সময় শেষ অক্ষর স্ত হলে স্ত পরের লাইনে চলে যায়। যেমন বিস্তরিত লিখলে বিস্ত এক লাইনে এবং রিত আরেক লাইনে চলে আসবে। এ সমস্যার সমাধানকরার জন্য শব্দটি লেখার সময় কী-বাের্ডের Shift চেপে Enter কী-দ্বয় একত্রে চাপলেঅক্ষরটি পরের লাইনে চলে আসবে এবং উপরের লাইনের শব্দগুলাে ঠিকমতাে এলাইন হবে।

 

 নির্বাচিত অবজেক্টের চারিপার্শ্বে লাইন না আসা

 

সমস্যা-৫

ওয়ার্ডের ডকুমেন্টে লেখার সাথে বিভিন্ন অবজেক্ট যেমন কোন ছবি থাকতে পারে। ছবিটিসিলেক্ট করে স্ট্যান্ডার্ড টুলবারের আউটসাইট বর্ডার বাটনে ক্লিক করলে অথবা ফর্মেট মেনুরবর্ডারস এন্ড শেডিং অপশনটি সিলেক্ট করে বর্ডারস সিলেক্ট করলে নির্বাচিত ছবিটির চারিপার্শ্বেবর্ডার লাইন আসে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় শুধুমাত্র তিন দিকে বর্ডার আসে। উপরেরদিকের লাইন আসে না।

যেমনঃএক্ষেত্রে অবজেক্টটি সিলেক্ট করে ছােট করলে উপরের লাইনটি দেখা যেতে পারে। যদি ছােটকরলেও না দেখা যায় তাহলে স্ট্যান্ডার্ড টুলবারের স্টাইল ড্রপ ডাউন বাটনে ক্লিক করে ক্লিয়ারফর্মেটিং অপশনটি সিলেক্ট করলে অবজেক্টের উপরের লাইনটি দেখা যায় ।

 

প্রিন্টের সময় ফর্মেটিং ভেঙ্গে যায়

 

সমস্যা-৬

।অনেক সময় দেখা যায় সম্পূর্ণ ফর্মেটিং করার পর প্রিন্ট করার সময় ফর্মেটিং ভেঙে যায়। এটি
সাধারণত যে মেশিনে ফর্মেটিং করা হয়েছে সে মেশিন থেকে প্রিন্ট না করে অন্য মেশিনেযেটিতে সংযুক্ত প্রিন্টারটি ইন্সটল করা আছে সেটিতে প্রিন্ট করা হয়। এক্ষেত্রে সমাধান হলােযে মেশিনে ফর্মেটিং করা হবে সে মেশিনেও যে প্রিন্টারে প্রিন্ট করা হবে সে প্রিন্টারটি ইন্সটলথাকা উচিত। শুধু ইন্সটল করা থাকলেই হবে না প্রিন্টারটি ডিফল্ট সিলেক্ট করা থাকতে হবে।

 

দুই কলামে পৃষ্ঠা সেট করা থাকলে পেজ নাম্বার দেয়া যায় না

 

সমস্যা-১

লেজার প্রিন্টারে সাধারণভাবে এ-৪ সাইজের কাগজে ট্রেসিং দেয়া হয়। ছােট সাইজের (১৬পৃষ্ঠায় ১ ফর্মা হিসাবে) বইয়ে ট্রেসিং পেপারে দুই পৃষ্ঠা দুই কলামে প্রিন্ট করা হয়। এক্ষেসমস্যা হলাে কমপিউটারে অটো পৃষ্ঠা নাম্বার দেয়া যায় না। আলাদা করে

পৃষ্ঠা নাম্বার প্রিন্টকরে পেস্টিং করার সময় বসানাে হয়। এতে করে অনেক সময় সঠিকভাবে পৃষ্ঠা নাম্বারবসানাে যায় না এবং পৃষ্ঠা নাম্বার যদি শেড দিয়ে বিশেষ ডিজাইনে করা হয় তাহলে পেস্টিং।করে বসানাে কঠিন। এক্ষেত্রে সমাধান হলাে প্রতি পৃষ্ঠায় দুই কলামে না করে পেজ-সেটআপেশিট পার পেজ হিসেবে সেট করা । এমএস ওয়ার্ডের এ বইটির পেজ সেটআপ কি তা লক্ষ্যকরলে বিষয়টি বুঝা যাবে।

 

শব্দের মধ্যকার দূরত্ব বেশি

 

সমস্যা-২

ওয়ার্ডে করা নিচের লেখাগুলাে লক্ষ্য করুন। এখানে তৃতীয় লাইনের কয়েকটি শব্দের মধ্যেঅনেক স্পেস রয়েছে। ব্যাকস্পেস কী চেপে এ স্পেস কমাতে চাইলে কমবে না। শব্দগুলাে
একত্রিত হয়ে যাবে।কমপিউটাবের বৈশিষ্ট

কমপিউটার একটি ইলেক্ট্রক যন্ত্র। অর্থাৎ বিদ্যুতের সাহায্যে চলে । ইলেক্ট্রনিক আরােঅনেক যন্ত্র আছে। কিন্তু কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যা কমপিউটারকে অন্যান্য বৈদ্যুতিকযন্ত্রপাতি থেকে আলাদা করেছে।

 

উল্লেখযােগ্য দশটি বৈশিষ্ট্য হলো

 

এ ধরনের ক্ষেত্রে কোন শব্দকে এন্টার দিয়ে নিচের লাইনে নামিয়ে মাউস দিয়ে ব্লক করেউপরে আবার অন্য শব্দগুলাের সাথে এনে সমাধান করা যায় । যেমন এখানের উল্লেখযােগ্যশব্দটির শুরুতে মাউস পয়েন্টার নিয়ে ক্লিক করে ইনসার্সন পয়েন্ট এনে এন্টার কীচাপলেশব্দটি নিচের লাইনে আসবে এবং উপরের শব্দগুলাের মধ্যকার দূরত্ব কমবে।

কমপিউটাবেব বৈশিষ্ট

| কমপিউটার একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। অর্থাৎ বিতের সাহায্যে চলে । ইলেক্ট্রনক আরােঅনেক যন্ত্র আছে। কিন্তু কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যা কমপিউটারকে অন্যান্য বৈদ্যুতিক |যন্ত্রপাতি থেকে আলাদা করেছে।
উয়েখযােগ্য

শটি বৈশিষ্ট্য হলো

এখন নিচের দুইটি লাইনের শব্দগুলােকে ড্রাগ করে তৃতীয় লাইনে যুক্ত করা যায়।কমপিউটাবেব বৈশিষ্টকমপিউটার একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। অর্থাৎ বিদ্যুতের সাহায্যে চাস। ইলেক্ট্রনক আরােঅনেক যন্ত্র আছে। কিছু কিছু কিছু বৈশিষ্ট্য আছে যা কমপিউটারকে অন্যান্য বৈদ্যুতিকযন্ত্রপাতি থেকে আলাদা করেছে। উল্লেখযােগ্য দশটি বৈশিষ্ট্য হলােঃ

 

ফর্মেট করায় এক পৃষ্ঠার লেখা আরেক পৃষ্ঠায় চলে আসা।ওয়ার্ডে টাইপ করা ডকুমেন্ট অনেক পৃষ্ঠার হতে পারে। যেমন ৬৫ পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট হতে
পারে। ডকুমেন্টে লেখার সাথে বিভিন্ন অবজেক্ট যেমন ইকুয়েশন, ছবি, ক্লিপআর্ট ইত্যাদিথাকতে পারে। সম্পূর্ণ ফর্মেট করার পর নতুন কোন একটি বিষয় মাঝখানে ঢুকলে সম্পূর্ণফরমেট পরিবর্তিত হয়ে যায়। এক্ষেত্রে মাঝখানের কোন লেখা পৃষ্ঠার প্রথমে আসবে এরূপ
থাকতে পারে। অর্থাৎ যদি এমন চান যে ডকুমেন্টের মাঝখানে যতকিছুই ঢুকুক কোন লেখাপৃষ্ঠার শুরুতেই থাকবে। এরূপ করার জন্য  ডকুমেন্টটি সচল করুন।

ডকুমেন্টের মাঝের যে লেখা পৃষ্ঠার শুরুতে থাকবে তার প্রথমে ইনসার্সন পয়েন্টনিয়ে Ctrl+Enter কী-দ্বয় চেপে পেজ ব্র্যাক করুন। সম্পূর্ণ লেখাটি নতুন একটিপেজে হবে। এখন এ পেজের পূর্বের পেজে নতুন কোন লেখা বা অবজেক্ট ঢুকলেওপেজ ব্র্যাক করা পেজে সবসময় লেখাটি পৃষ্ঠার শুরুতেই থাকবে অর্থাৎ এটি একটি পেজ হিসাবে কাউন্ট হবে

সমস্যার নেইকো শেষ

 

ও প্রিয় পাঠক সমস্যার আসলেই কোন শেষ নেই। প্রতিনিয়ত আমরাকাজ করার সময় নতুন নতুন বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকি। এমন কিছু সমস্যা আছেযেগুলাের কাগজ কলমে কোন সমাধান অত্যান্ত কঠিন। বাস্তব কাজ করতে করতে অনেকসমস্যার সমাধান করা যায়।  বইয়ে আমরা বাস্তবের কিছু সমস্যার সমাধান দিতে চেষ্টাকরেছি। এভাবে আমরা পরবর্তী সব সংস্করণে বিভিন্ন সমস্যা এবং এর সমাধান দিতে চেষ্টাকরব। আপনারা কাজ করায় সময় বইয়ে নেই এমন কোন সমস্যায় যদি পড়ে থাকেন তাহলেআমাদের সাথে যােগাযােগ করতে পারেন।

আমরা চিঠি বা ই-মেইলে উত্তর দিতে চেষ্টা করবইনশাল্লাহ ! অভিজ্ঞ ব্যবহারকারীরা এ ব্যাপারে আমাদের সহায়তা করতে পারেন। অর্থাৎজটিল কোন সমস্যার সমাধান আমাদের ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে পারেন। বইয়ের পরবর্তীসংস্করণে এসব সমাধান সংযুক্ত করে দিব এবং কৃতজ্ঞতায় নাম প্রকাশ করা ছাড়াও বিশেষউপহার দিতে চেষ্টা করব। আপনার ক্ষুদ্র সহযােগিতা অনেকের অনেক কষ্ট লাগার করতে
সহায়তা করবে। —লেখক |

 

 

Related Posts

অলসতা সারা জীবনের কান্না

  অলসতা   অলস হওয়া মানে পরকালীন পরিতাপে ভস্ম হওয়ার আগেই দুনিয়ার অনুতাপে পুড়েমরা। অলসদের ব্যাপারে ইমাম ইবনুল জাওমি বলেন,সমবয়সী বন্ধুরা জ্ঞানে ও বিজ্ঞানে অগ্রগামী হয় আর সে…

আমার এত দুঃখ কেন

      আমার এত দুঃখ কেন     মাঝে মাঝে ভীষণ কষ্ট লাগে। বুকের ভেতরে বাসা বাঁধে দুঃখের কালো মেঘ। অবিরামবৃষ্টিরধারার মতো বিষণ্ণতা এসে আছড়ে পড়ে মনের…

সুখ দুঃখের সংসার

প্রতিটি মানুষের জীবনের দুটো গল্প থাকে   , একটা সুখের, একটা দুঃখের,আমরা শুধু দুঃখটাকেই মনে রাখি,সবসময় না পাওয়া জিনিসগুলো নিয়ে পড়ে থাকি, এটা থেকেই ডিপ্রেশন নামক ভয়ংকর রোগটা…

প্রতিবন্ধীদের সুযোগ করে দেওয়া উচিত

  প্রতিবন্ধীদের সুযোগ করে দেওয়া উচিত   আমার খবরের চ্যানেল যারা আছেন তাদেরকে বলছি-দয়া করে আমার কথাগুলোতে কষ্ট পাবেন না- আপনাদের অনেককেই দেখি আপনারা প্রায়ই মজার ছলে,হাসির ছলে…

সাফল্যের চাবি আপনার হাতে

নতুন বছরে নিজকে সফল করতে পারেন   নতুন বছর শুরু হয়েছে। সবারই ইচ্ছা তার এ বছরটি যেন গত বছরের থেকেআরাে বেশি ভালাে ও সুন্দর কাটে। আর আপনার এ…

কক্সবাজার  ভ্রমণ ২০২১

  কক্সবাজার  ভ্রমণ   নভেম্বরের ২৩ তারিখে বন্ধুরা মিলে আড্ডা দেওয়ার সময় কথা উঠলো কক্সবাজারের – সেন্ট মার্টিন।তারিখ ও ঠিক করে ফেললাম ৫ ই ডিসেম্বর। কথা অনুযায়ী ট্রেনে…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *